Sunday, February 1, 2026

যুগান্তকারী এক সিদ্ধান্ত নিল জামায়াত

আরও পড়ুন

হিন্দু সম্প্রদায়ের পাশে সবসময় থাকার ঘোষণা দিয়েছেন ভোলা জেলা জামায়াতে ইসলামীর নেতারা। তারা বলেন, আদম সন্তান হিসেবে এদেশে হিন্দু ও মুসলমান সবাই সমান অধিকার রাখেন। আমরা শান্তিপূর্ণ পরিবেশে বসবাস করতে চাই। সমান অধিকার নিয়ে বাঁচতে চাই।

শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) ভোলা জেলা শহরের চিলি হল রুমে আয়োজিত শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপন মণ্ডপ কমিটির নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময়ে জেলা জামায়াত নেতারা এসব কথা বলেন।

ভোলা জেলা সদরের ২৭টিসহ জেলায় ১১২টি মণ্ডপে হিন্দু ধর্মের সর্ববৃহৎ শারদীয় দুর্গাপূজার আয়োজনকে উৎসব মুখর করতে জামায়াত সহযোগিতা করবে বলে জানান নেতারা।

এতে জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাস্টার মো. জাকির হোসেন সভাপতিত্ব করেন।

আরও পড়ুনঃ  বাসর রাত তাই চিৎকার করেনি ফুলি, র”ক্তক্ষরণেই মৃ”ত্যু

মতবিনিময়ে বক্তব্য রাখেন জেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও ভোলা-১ সংসদীয় আসনে দলের মনোনীত প্রার্থী অধ্যক্ষ মো. নজরুল ইসলাম, উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা কামাল হোসেন, পৌর জামায়াতের আমির জামাল উদ্দিন, জামায়াতের কর্মপরিষদের সদস্য এএইচএম অলিউল্লাহ, মিহিরলাল পূজামন্ডপের পক্ষে অশোক চন্দ্র ঘোষ, ইলিশা পূজামণ্ডপের সভাপতি ডাক্তার নরেন্দ্র চন্দ্র শীল, বাঘারহাওলা পূজামণ্ডপের সভাপতি গৌরাঙ্গ চন্দ্র রায়, খিতিশ বাবু প্রমুখ।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন জামায়াত নেতা ইসলাম হোসেন মনির।

জামায়াত আমির মাস্টার জাকির হোসেন বলেন, জামায়াতে ইসলাম কখন হিন্দু সম্প্রদায়ের কোনো কাজে বিরোধিতা করেনি। কেউ কোনো প্রমাণও দিতে পারবে না। অতীতে যেমন পারেনি, তেমনই ভবিষ্যতেও পারবে না।

আরও পড়ুনঃ  দুপুরের মধ্যে ৬০ কিমি বেগে ঝড় ও বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস

নায়েবে আমির অধ্যক্ষ নজরুল বলেন, আমাদের অঙ্গীকার আমরা শান্তিপূর্ণ পরিবেশে বসবাস করতে চাই। সমান অধিকার নিয়ে বাঁচতে চাই। পৃথিবীর সব মানুষের শরীরে লাল রক্ত বহমান। সেখানে কোনো বিভেদ নেই। আচার অনুষ্ঠানাদি পৃথক হতে পারে। তাতে বিরোধ থাকতে পারে না।

তিনি বলেন, আমার সমানভাবে যেমন সূর্যের আলো পাই, তেমনই সমাজে সমানভাবে একে অপরের পাশে থাকতে চাই। এ সময় ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে অনুষ্ঠিত শারদীয় পূজার আইনশৃঙ্খলা পরিবেশসহ সবক্ষেত্রে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরা হিন্দু ভাইদের পাশে থাকবেন বলেও ঘোষণা দেন নায়েবে আমির।

আরও পড়ুনঃ  সৌদি আরবে কর্মরত কোটি কোটি প্রবাসী কর্মীদের জন্য সুখবর

জেলায় পূজামণ্ডপের সংখ্যা ১১২টির মধ্যে ভোলা সদরে ২৭টি, দৌলতখানে ৮টি, বোরহানউদ্দিনে-২০টি লালমোহনে ১৯, চরফ্যাশনে ১২টি, তজুমদ্দিনে-১৩টি ও মনপুরা উপজেলায় ১১টি মণ্ডপে শারদীয় পূজা উদযাপনের প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে রয়েছে বলে জানান জেলা পূজা উদযাপন ফ্রন্টের সম্পাদক বেনু পাল।

পূজার আয়োজনকে ঘিরে প্রতি মণ্ডপ কমিটির নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবক দল গঠন করা হয়েছে। একই সঙ্গে নিরাপত্তার জন্য নৌবাহিনী, পুলিশ, র‌্যাব, কোস্টগার্ড, আনসার বাহিনীর টিম থাকছে বলে জানান জেলা প্রশাসক।

প্রশাসনের পাশপাশি রাজনৈতিক দলগুলোর তরফ থেকেও সহযোগিতা করা হবে। এক্ষেত্রে জামায়াতে ইসলাম কি কি সহযোগিতা করবে মতবিনিময়ে সেসব জানানো হয়।

আপনার মতামত লিখুনঃ

সর্বশেষ সংবাদ